কম্পিউটারের সংজ্ঞা (Definition of computer):-

 শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ গণনা কম্পিউটার একটি যন্ত্র বা পরী গণক কিন্তু এর কার্যকারিতা বা কার্যক্ষমতা প্রয়োগসীমা যন্ত্রাংশ ইত্যাদির দিক থেকে বিবেচনা করলে কম্পিউটার শুধুমাত্র একটি গণক যন্ত্র নয়  

কম্পিউটার হল দ্রুতগতিসম্পন্ন  একটি জটিল যন্ত্র বা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যন্ত্রাদি যেমন ইনপুট-আউটপুট প্রসেসিং ইউনিট সহযোগিতার সমস্ত তথ্য ইনফরমেশন সংরক্ষণ করতে পারে পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত তমনে ফলাফল তুলে ধরতে পারে

কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ-

কম্পিউটার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলীর অধিকারী।কম্পিউটারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো

১। গতি (spaeed):- খুব অল্প সময়ের মধ্যে কোন কাজ দ্রুত করতে পারে সাধারণত মিলি সেকেন্ডে ন্যানো সেকেন্ড বা পিকো সেকেন্ডে এর মাধ্যমে কম্পিউটারের গতি হিসাব করা

২। নির্ভুলতা বা সঠিকতা (accuracy):- সাধারণভাবে কম্পিউটার নির্ভুলভাবে যেকোনো কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ব্যবহারকারী দেওয়া ভুল তথ্য কম্পিউটার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংশোধন করতে পারে।

৩। সঞ্চয় ক্ষমতা ( storage capacity):- বর্তমান কম্পিউটার অনেক তথ্য ধারণ করতে সক্ষম তথ্য ধারণ ক্ষমতার একক হল বিট  বা বাইট বা  কিলোবাইট বা  মেগাবাইট বা গিগাবাইট কম্পিউটারে সংরক্ষণ বা সঞ্চয় করে প্রয়োজন মত দেখা যায়।

৪। পুনরাবৃত্তি দক্ষতা  (repetitiveness or diligence);_ কম্পিউটার ক্লান্তিহীনএবং নির্ভুলভাবে একই কাজ বারবার করতে  পারে

৫। স্বয়ংক্রিয়তা (automaticity) :- কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে একের পর এক কাজ নির্দেশ অনুসারে  করতে সক্ষম।

৬। বহুমুখী কর্মক্ষমতা সম্পনতা( versatility):- কম্পিউটারে একাধারে বিভিন্ন কাজ করা সম্ভব ছবি আঁকা চিঠি লেখা তথ্য আদান-প্রদান গান শোনা গেম সিনেমা দেখা প্রভৃতি বিভিন্ন বহুমুখী কাজ কম্পিউটার এর মাধ্যমে করা যায়

.

কম্পিউটারে বিবর্তন

 শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কম্পিউটারে বিবর্তন নিচে তুলে ধরা হলো


 আবিষ্কা সময়কালপ্রায় 5000 বছর পূর্বে আবিষ্কারকের নাম অজানা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর পূর্বে এবাকাস মৌজা কাঠের বা ধাতুর কয়েকটি এবং তাদের মাধ্যমে কয়েকটি প্রোটিন তৈরির মধ্যে দিয়ে প্রথম গণনা যন্ত্রের মাধ্যমে কেবলমাত্র ছোট ছোট যোগ বিয়োগ করা সম্ভব হয়েছিল তবে এই যন্ত্রের দ্বারা সরাসরি গুণ ভাগ প্রক্রিয়া করা সম্ভব ছিল না এরপর একরাশ রাশিয়া 2018 বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হয় জাপানে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির পুতি লাগানো থাকে এগুলির মধ্যে ছিদ্র করা থাকে যাতে সেগুলির মধ্যে চলাচল করতে পারে সবচেয়ে ডানদিকের অবস্থান হল একপ্রকার কুটির অবস্থানরত ইত্যাদি


অ্যাবাকাস

আবিষ্কার এর সময়কাল: প্রায় 5 হাজার বছর পূর্বে

আবিষ্কারকের নাম: অজানা

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

 আজ থেকে পাঁচ পূর্বে  চীন দেশে অ্যাবাকাস নামক যন্ত্র ( যা কাঠের  বাধা কয়েকটি উদাহরণ সাইট এবং প্রতি প্রতিবারই তার থাকে  কয়েকটি পুঁতি  )তৈরির মধ্য দিয়ে  প্রথম গণনা যন্ত্রের  উদ্ভাবন হয়।  এই যন্ত্রের কেবলমাত্র বিয়োগ করা সম্ভব হয়েছিল ।তবে এই যন্ত্রের দ্বারা সরাসরি গুণ ভাগ প্রক্রিয়া করা সম্ভব ছিল না। এরপর আবার স্কাস ক্রমশ রাশিয়া গ্রিস ইটালির জাপান ইত্যাদি বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হয়। জাপানে ব্যবহৃত এই অ্যাবাকাস যন্ত্রটি সোরাবান বলা হত। প্রত্যেক শিকের বা রডের মধ্যে গোলাকার চিনামাটির পুতি লাগানো থা্কে এবং   পুতিগুলি মধ্যে ছিদ্র করা থাকে যাতে সেগুলো অবরোধের মধ্যে চলাচল করতে পারে। সবচেয়ে ডান দিকের পুতির অবস্থান হল একক তারপরের পুতি অবস্থান দশক ,তারপরের গুলি শতক এবং সহস্র ইত্যাদি।

বৈশিষ্ট্য

 কাঠের বা ধাতু কয়েকটি সারি তার এবং প্রত্যেক সারি তারের মধ্যে কয়েকটি পুতি দিয়ে অ্যাবাকাস তৈরি করা হয়।

 এই যন্ত্রের সাহায্যে ছোট ছোট যোগ বিয়োগ বের করা হলেও ভাগ গুণফল বের করা যেত না এবং হাতের মাধ্যমে পুতি গুলি উপরে নিচে করে যোগ বিয়োগ করা হতো।

 নেপিয়ার বোনঃ

 আবিষ্কার এর সময়কালঃ 1617 খ্রিস্টাব্দে

 আবিষ্কারের নাম: স্কটিশ বিজ্ঞানী জন নেপিয়ার


 সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

 1917 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী জন নেপিয়ার একটি যন্ত্র আবিষ্কার যা পরবর্তী সময়ে নেপিয়ার বোন বানেপিয়ার হাড়’   নামে পরিচিত। এই যন্ত্রে অনেকগুলি রেখাঙ্কিত  দন্ড ছিল। এই যন্ত্রের সাহায্যে যোগ-বিয়োগ-গুণ প্রক্রিয়া করা সম্ভব ছিল তবে একসঙ্গে বড় বড় যোগ বিয়োগ গুন করা সম্ভব ছিল না। পরবর্তীকালে নেপিয়ার নেপিয়ার লগারিদমনামে একটি গাণিতিক পদ্ধতি আবিষ্কার করেন যার মাধ্যমে গুন ,ভাগ, বর্গমূল নির্ণয় করা যেত। যন্ত্রটিতে আগ্রহ থাকতো একটি টেবিলের উপর এমন ভাবে রাখা হতো যেন দন্ড গুলি গায়ে গায়ে লাগিয়ে সম্পূর্ণ অংশ পড়া যেত আর কোনাকুনি কাটা দাগ গুলি পাশে দন্ডের গায়ে মিশে গিয়ে কোনাকুনি লাইন তৈরি করে। 


স্লাইড রুল( Slide Rule ):

 আবিষ্কারক এর সময়কাল: 1620 খ্রিষ্টাব্দ

আবিষ্কারকের নাম : ইংরেজি গণিত উইলিয়াম অরট্রেড

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা 

1620 সালে ইংরেজ গণিতজ্ঞ উইলিয়াম আর্কেড এবং অন্যান্য বিজ্ঞানী মিলিতভাবেস্লাইডিং স্কেলযন্ত্রটি আবিষ্কার করেন এই যন্ত্রটিনেপিয়ারস  বোনযন্ত্রের উপরে ধারণা করে তৈরি করা হয়েছিল স্লাইডিং দুটি অংশে বিভক্ত একটি ফুলের মাঝখানে খাঁজকাটা অংশে এমডি বসানো থাকতো। সরু স্কেলটি খাঁজে এপাশ ওপাশ সরানো যেত। দুটি  স্কেলের গায়ে সংখ্যা খোদাই করা থাকত যার দ্বারা যোগ বিয়োগ গুন ভাগ বর্গমূল ইত্যাদি নির্ণয় করা সম্ভব। তবে এই যন্ত্রটির মাধ্যমে খুব বড় বড় অংক করা সম্ভব ছিল না।সরু স্কেলটি সরিয়ে বড় স্কেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্কেল দুটি গায়ে খোদাই করা সংখ্যা দ্রুত গণনা করার কাজে এই যন্ত্রটি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল

বৈশিষ্ট্য

  • নেপিয়ার বোন যন্ত্রটির উপর ধারণা করে এই যন্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে. 

  • স্লাইড টি দুটি অংশে বিভক্ত একটি সরু অন্যটি মোটা.

  • দুটি স্কেলের গায়ে খোদাই  করা সংখ্যার সাহায্যে যোগ  বিয়োগ গুন ভাগ বর্গমূল নির্ণয়  করা সম্ভব হত।

Thanks to visiting our site https://techwithgyan.online